শিক্ষকেরা কেন অবসর ভাতা পাচ্ছে না?
এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা হলো ধনী মায়ের সৎ সন্তান।এতোটা পরের সন্তান যে নিজের জমানো টাকা পাওয়া যাচ্ছে না।সমস্যা যে সরকারের আমলেই শুরু হোক সমাধান বর্তমান তথা চলমান সরকারকে করতে হয়।
একজন এমপিওভুক্ত শিক্ষকের বেসিক বেতন ১২৫০০ টাকা বেসিকের ১০% তথা ১২৫০ টাকা অবসরভাতা ও কল্যান ট্রাস্টের নামে কেটে নেয়া হয়। ভাবা যায়! কেটে-কুটে বাড়িভাড়া, ভাতাসহ ১৫ হাজার টাকাও আসে না।অথচ এই কষ্টার্জিত জমানো অর্থ পেতে যে হয়রানি তা সারাজীবনের চাকরির থেকে কঠিন। আধুনিক যুগে এসেও প্রস্তর যুগের নিয়ম কানুন। এগুলোতো শিক্ষকের নিজের জমানো টাকা।নিজের টাকা শিক্ষক সহজে পাবে না কেন?
![]() |
| প্রতীকী ছবি:জেমিনি |
উল্টো অবসর বোর্ডের কর্মকর্তারা দোষারোপ,তিরস্কার করে শিক্ষকদের।তারা নাকি কাগজপত্র উইপোকায় খাওয়ায়।যদি কিছু শিক্ষকের প্রয়োজনীয় কাগজ না থাকায় পেনসন না দেয়া যায় তাহলে প্রতি মাসে মাসে টাকা কেন কাটা হলো।তখন কেন বলা হলোনা কাগজ নাই তাই টাকা কাটা হবে না।এগুলো খোঁড়াযুক্তি।বিষোদগার করা।নিজেদের নয়-ছয় লুকানোর চেষ্টা।প্রায় ৩৫ শতাংশ শিক্ষক অবসরের জমানো টাকা না পেয়ে মারা যায়। পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের মানুষ এটা শুনে তিরস্কার করবে, যে শিক্ষক তার জমানো টাকা পায় না।সরকারি সাহায্য তো দূরে থাক নিজের জমানো টাকা পেতে যে হয়রানি তা মেনে নেয়া যায় না।
যেহেতু বর্তমানে প্রায় সমস্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষক তথ্য অনলাইনে রয়েছে। এবং EFT এর মাধ্যমে বেতনপ্রাপ্ত তাই অবসর ও কল্যানের টাকার হিসাব অনলাইনে আপডেট থাকতে হবে।চাকরির অবসরের সময় অটোমেটিক ব্যংকের মাধ্যমে অবসর ও কল্যান ট্রাস্টের টাকা যাতে পায় সে ব্যবস্থা করতে হবে।যাতে কেউ টাকাটা নয় ছয় না করতে পারে।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন