প্রাকৃতিক উপায়ে এসিড ক্ষার পরীক্ষা।লিটমাস পেপার ছাড়াই করুন টেস্ট
ঘরোয়া পদ্ধতিতে এসিড ক্ষার নির্ণয়
আমরা জানি কোনো পদার্থ এসিড নাকি ক্ষার তা ডিজিটাল পিএইচ ( PH) ও লিটমাস পেপার দিয়ে দিয়ে পরীক্ষা করা হয়।ডিজিটাল পিএইচ মিটারে নিখুঁত মান নির্দেশ করে। আর লিটমাস পেপারে মার্ক করা দাগ দেয়া থাকে। ক্ষার লাল লিটমাসকে নীল করে।আর এসিড নীল লিটমাসকে লাল করে।
এসিড কী?
যে সকল রাসায়নিক পদার্থে হাইড্রোজেন আয়ন থাকে সেগুলো এসিড। যেমন, লেবুতে থাকে সাইট্রিক এসিড, তেঁতুল, ভিনেগার এসিড, সালফিউরিক, হাড্রোক্লোরিক ইত্যাদি । এসিড টক স্বাদ যুক্ত। যদি কোন পদার্থের পিএইচ ৬.৫০ এর নিচে নামতে থাকে তবে সে পদার্থ এসিড।
ক্ষার কী?
যে সকল রাসায়নিক পদার্থে হাইড্রোক্সিল আয়ন থাকে সেগুলোকে ক্ষার বলে। যেমন, চুন, সাবান, ডিটারজেন্ট, সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড ইত্যাদি। ক্ষারের পিএইচ ৭.৫০ এর উপরে থাকে।ক্ষার তেঁতো স্বাদযুক্ত। পানির সাথে মিশলে স্পর্শ করলে পিচ্ছিল মনে হয়।
প্রাকৃতিক উপায়ে এসিড ক্ষার পরীক্ষা করার পদ্ধতি
হলুদের মাধ্যমে জানা সম্ভব কোনো পদার্থ এসিড নাকি ক্ষারীয়।
পদ্ধতি
১. পরিমাণ মত হলুদ ও পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। ২.হলুদ পেস্টটি সাদা কাগজে প্রলেপ দিয়ে আংশিক শুকিয়ে নিন।
৩. সাবান ক্ষার পানি বা ডিটারজেন্ট পানি পরিমাণ মতো অথবা কয়েক ফোঁটা দিন। দেখা যাবে হলুদ থেকে লাল বর্ণ ধারণ করছে।
৪. কিন্তু এসিড পানি হলুদ মাখা কাগজে ফেললে রঙের কোনো পরিবর্তন হবে না।অথবা ক্ষার মিশ্রিত হলুদ পেপারে মেশালে লাল বর্ণ থেকে পুনরায় হলুদ বর্ণ ধারণ করবে।
উপরিউক্ত পরীক্ষা থেকে আমরা প্রাকৃতিক উপায়ে জানতে পারি কোনো অজানা পদার্থ এসিডিয় নাকি ক্ষারকীয়
ক্ষার হলে হলুদ লাল বর্ণ হবে। আর এসিড হলে কোনো কোনো বর্ণ ধারণ করবে না।
হলুদ ক্ষারের স্পর্শ পেলে কেন লাল বর্ণ ধারণ করে?
হলুদে রয়েছে কারকিউমিন নামক এক ধরনের রঞ্জক পদার্থ। যা অল্প এসিডিও।ক্ষারের স্পর্শ কারকিউমিন লাল হয়ে যায়

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন